1. সাকরাইন উৎসবে ফানুস-আতশবাজি নিষিদ্ধ  দৈনিক ইত্তেফাক
  2. সাকরাইনে নিষিদ্ধ ফানুস-আতশবাজি - banglanews24.com  বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
  3. সাকরাইন উৎসবে নিষিদ্ধ হচ্ছে আতশবাজি-ফানুস  দৈনিক আমাদেরসময়
  4. পুরান ঢাকায় ফানুস–আতঙ্ক, না ওড়াতে অনুরোধ ডিএমপির  প্রথম আলো
  5. সাকরাইনে ফানুস ও আতশবাজি নিষিদ্ধের দাবি  Bangla Tribune
  6. Google News-এ সম্পূর্ণ প্রতিবেদন দেখুন
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসবে এবার নিষিদ্ধ থাকছে ফানুস ও আতশবাজি। পৌষ মাসের শেষ দিন পৌষ সংক্রান্তির এ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এ...পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসবে এবার নিষিদ্ধ থাকছে ফানুস ও আতশবাজি। পৌষ মাসের শেষ দিন পৌষ সংক্রান্তির এ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এ...

সাকরাইন উৎসবে ফানুস-আতশবাজি নিষিদ্ধ

www.prothomalo.com

ঢাকা: পুরান ঢাকার ঐতাহ্যবাহী সাকরাইন উৎসবে এবার নিষিদ্ধ থাকছে ফানুস ও আতশবাজি। পৌষ মাসের শেষ দিন পৌষ সংক্রান্তির এ অনুষ্ঠান ঘিরেঢাকা: পুরান ঢাকার ঐতাহ্যবাহী সাকরাইন উৎসবে এবার নিষিদ্ধ থাকছে ফানুস ও আতশবাজি। পৌষ মাসের শেষ দিন পৌষ সংক্রান্তির এ অনুষ্ঠান ঘিরে

সাকরাইনে নিষিদ্ধ ফানুস-আতশবাজি

Just a moment...

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যের অংশ হি‌সে‌বে প্রতি বছ‌রের ন‌্যায় এবা‌রো পা‌লিত হ‌য়ে‌ছে সাকরাইন উৎসব। প্রতি বছর বাংলা পৌষ মা‌সের শেষ‌ দিন পুরান ঢাকা আকা‌শে নানা র‌ঙের ক‌য়েক লাখ ঘু‌ড়ি উড়া‌নো হয়।  পুরান ঢাকার ঐতিহ্যের অংশ হি‌সে‌বে প্রতি বছ‌রের ন‌্যায় এবা‌রো পা‌লিত হ‌য়ে‌ছে সাকরাইন উৎসব। প্রতি বছর বাংলা পৌষ মা‌সের শেষ‌ দিন পুরান ঢাকা আকা‌শে নানা র‌ঙের ক‌য়েক লাখ ঘু‌ড়ি উড়া‌নো হয়।  

র‌ঙিন ঘু‌ড়ি‌তে ব‌র্ণিল হ‌বে পুরান ঢাকার আকাশ

Just a moment...

ছয় ঋতুর দেশে এখন চলছে শীতকাল, যা বাংলা মাসের হিসেবে পৌষের বিদায়ক্ষণ। ১২ মাসে ১৩ পার্বণের দেশে এই পৌষ মাসের শেষ দিনটিকে ঘিরে রয়েছে একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব। পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের কাছে যা সাকরাইন উৎসব হিসেবে পরিচিত থাকলেও কেউ কেউ এটিকে পৌষ সংক্রান্তিই বলে থাকে।<p>পুরান ঢাকায় ১৪ জানুয়ারি পালিত হয় সাকরাইন উৎসব। তবে শাঁখারী বাজারের আদি হিন্দু পরিবারগুলো একদিন পরে অর্থাৎ ১৫ জানুয়ারিতে এ উৎসব পালন করে। বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে ছোটবড় সবাই মেতে উঠে এ উৎসবে।<br>&nbsp;</p><p>দিনের শুরু থেকেই পুরান ঢাকার বাড়িতে বাড়িতে চলে পিঠা বানানোর ধুম। সারা দিন এসব এলাকায় আকাশে রঙ-বেরঙের ঘুড়ি ওড়ে। ছাদে কিংবা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঘুড়ি ওড়ানো হয়। অধিকাংশ সময়ে ঘুড়ি কাটাকাটি প্রতিযোগিতা চলে। একজন অপরজনের ঘুড়ির সুতা কাটার প্রতিযোগিতা করে।<br>&nbsp;</p><p>সরেজমিনে দেখা গেছে, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সাকরাইনকে সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার, তাঁতিবাজার, লক্ষ্মীবাজার, সূত্রাপুর, গেণ্ডারিয়া, লালবাগ ও এর আশপাশের এলাকাগুলো সাকরাইন উৎসব পালন করতে প্রস্তুত করা হচ্ছে। বেশির ভাগ বাসার ছাদে সাউন্ড-সিস্টেম, আলোকসজ্জা ও লাইটিং করে সাজানো হচ্ছে।<br>&nbsp;</p><p>শাঁখারী বাজারের ঘুড়ি ও আতসবাজির দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। শাঁখারী বাজারের কয়েকজন দোকানির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন ধরনের আঁকার আকৃতির ঘুড়িগুলো এখানে তৈরি হয় ও এদের নামও বেশ চমৎকার যেমন চোখদার, পানদার, বলদার, দাবাদার, লেজওয়ালা, পতঙ্গ ইত্যাদি নামের ঘুড়ি।<br><br>আরও পড়ুন: <a href="https://www.somoynews.tv/news/2022-01-13/%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0">ববি ছাত্রীকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার</a><br>&nbsp;</p><p>তারা আরও জানান, সাধারণ ঘুড়িগুলোর দাম ৫ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে, হরেক রকমের ডিজাইন করা ঘুড়িগুলোর দাম ১৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকার বেশি হয়।<br>&nbsp;</p><p>এ ছাড়া দোকানগুলোতে ভারত ও চায়নার ঘুড়িও পাওয়া যায়। তারা এই সাকরাইন উৎসব চলাকালীন সময়েই ঘুড়িগুলো নিজেরাই প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে তৈরি ও আমদানি করে থাকে।<br>&nbsp;</p><p>তবে এবারের ইংরেজি নববর্ষের অনুষ্ঠানে ফানুস ও আতসবাজিতে বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনা ঘটায় সরাসরি ফানুস ও আতসবাজি বিক্রি হচ্ছে না শাঁখারীবাজারে। তবে গোপনে চলছে বিকিকিনি।<br>&nbsp;</p><p>পুরান ঢাকার শাঁখারী বাজার এলাকার কয়েকটি গলির মাথায় ও দোকানের কোণে কিছুটা দূরত্ব রেখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বেশ কয়েকজন তরুণ ও কিশোরকে। যাদের বেশির ভাগেরই বয়স ১৫ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। কেউ কিনতে এসে খোঁজাখুঁজি করলে কোনো না কোনোভাবে টের পেয়ে যায় গলি ও দোকানের কোণায় দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেগুলো। তখনই চার-পাঁচজন এসে হাজির। গলির ভেতর ডেকে নিয়ে চলে দরদাম। এভাবেই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলছে আতশবাজির বিকিকিনি।<br>&nbsp;</p><p>শাঁখারী বাজারের ঘুড়ির দোকানি জনি সেন বলেন, ‘বছরের শুরু থেকেই দোকানে সাকরাইনের জন্য সব ধরনের মালামাল উঠাইছি, বেশি কইরা উঠাইছি ঘুড়ি, আবির, সুতা, লাটাই। অহন বিক্রি একটু কম হইতাছে তই বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) অনেক বিক্রি হইব আর এ বছর লাভের হার একটু কমই হইতাছে। আবার ত শুরু হইছে সরকারের নিষেধ জারি তাই বেচাকেনা যা ছিল তাও কম হচ্ছে।’<br><br>আরও পরুন: <a href="https://www.somoynews.tv/news/2022-01-13/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%AD%E0%A7%AA%E0%A7%AB-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%A8-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%95%E0%A6%BE">ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭৪৫ আসন ফাঁকা</a><br>&nbsp;</p><p>ঘুড়ি কিনতে আসা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমি তিন ধরনের ঘুড়ি কিনেছি, সুতা-লাটাই আগে থেকেই আছে। বাসায় গিয়ে ঘুড়ির জন্য কিছুটা কাজ করব তারপর সাকরাইনের দুই দিন দুপুরের পর থেকে আমরা বাড়ির সবাই মিলে ছাদে ঘুড়ি উড়াব, গানবাজনা করব তবে করোনা আবার বাড়ার কারণে হয়তো আমার বন্ধুদের সঙ্গে সাকরাইন পালনে সীমাবদ্ধতা থাকবে।’<br>&nbsp;</p><p>এবারের সাকরাইনে ফানুস ওড়ানো ও আতশবাজি ফুটানোর কোনো বিধিনিষেধ আছে কিনা জানতে চাইলে সূত্রাপুর থানার ওসি মইনুল ইসলাম বলেন, এটা মূলত পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে ডিএমপি কমিশনার নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। প্রতিবারের মতো ফানুস ওড়ানো এবারও নিষিদ্ধ তবুও বিচ্ছিন্নভাবে কিছু যায়গায় উড়ানো হয় আমরা এটা প্রতিরোধের চেষ্টা করব। এবার যেহেতু ওমিক্রন সতর্কতা আছে আমরা সেভাবেই পরিচালনা করছি। সাকরাইনে যাতে কোনো ধরনের জনসমাগম না ঘটে সে দিকে আমরা লক্ষ রাখব।</p>১৩ জানুয়ারী, ২০২২ | ছয় ঋতুর দেশে এখন চলছে শীতকাল, যা বাংলা মাসের হিসেবে পৌষের বিদায়ক্ষণ। ১২ মাসে ১৩ পার্বণের দেশে এই পৌষ মাসের শেষ দিনটিকে ঘিরে রয়েছে একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব। পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের কাছে যা সাকরাইন উৎসব হিসেবে পরিচিত থাকলেও কেউ কেউ এটিকে পৌষ সংক্রান্তিই বলে থাকে।<p>পুরান ঢাকায় ১৪ জানুয়ারি পালিত হয় সাকরাইন উৎসব। তবে শাঁখারী বাজারের আদি হিন্দু পরিবারগুলো একদিন পরে অর্থাৎ ১৫ জানুয়ারিতে এ উৎসব পালন করে। বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে ছোটবড় সবাই মেতে উঠে এ উৎসবে।<br>&nbsp;</p><p>দিনের শুরু থেকেই পুরান ঢাকার বাড়িতে বাড়িতে চলে পিঠা বানানোর ধুম। সারা দিন এসব এলাকায় আকাশে রঙ-বেরঙের ঘুড়ি ওড়ে। ছাদে কিংবা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঘুড়ি ওড়ানো হয়। অধিকাংশ সময়ে ঘুড়ি কাটাকাটি প্রতিযোগিতা চলে। একজন অপরজনের ঘুড়ির সুতা কাটার প্রতিযোগিতা করে।<br>&nbsp;</p><p>সরেজমিনে দেখা গেছে, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সাকরাইনকে সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার, তাঁতিবাজার, লক্ষ্মীবাজার, সূত্রাপুর, গেণ্ডারিয়া, লালবাগ ও এর আশপাশের এলাকাগুলো সাকরাইন উৎসব পালন করতে প্রস্তুত করা হচ্ছে। বেশির ভাগ বাসার ছাদে সাউন্ড-সিস্টেম, আলোকসজ্জা ও লাইটিং করে সাজানো হচ্ছে।<br>&nbsp;</p><p>শাঁখারী বাজারের ঘুড়ি ও আতসবাজির দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। শাঁখারী বাজারের কয়েকজন দোকানির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন ধরনের আঁকার আকৃতির ঘুড়িগুলো এখানে তৈরি হয় ও এদের নামও বেশ চমৎকার যেমন চোখদার, পানদার, বলদার, দাবাদার, লেজওয়ালা, পতঙ্গ ইত্যাদি নামের ঘুড়ি।<br><br>আরও পড়ুন: <a href="https://www.somoynews.tv/news/2022-01-13/%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0">ববি ছাত্রীকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার</a><br>&nbsp;</p><p>তারা আরও জানান, সাধারণ ঘুড়িগুলোর দাম ৫ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে, হরেক রকমের ডিজাইন করা ঘুড়িগুলোর দাম ১৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকার বেশি হয়।<br>&nbsp;</p><p>এ ছাড়া দোকানগুলোতে ভারত ও চায়নার ঘুড়িও পাওয়া যায়। তারা এই সাকরাইন উৎসব চলাকালীন সময়েই ঘুড়িগুলো নিজেরাই প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে তৈরি ও আমদানি করে থাকে।<br>&nbsp;</p><p>তবে এবারের ইংরেজি নববর্ষের অনুষ্ঠানে ফানুস ও আতসবাজিতে বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনা ঘটায় সরাসরি ফানুস ও আতসবাজি বিক্রি হচ্ছে না শাঁখারীবাজারে। তবে গোপনে চলছে বিকিকিনি।<br>&nbsp;</p><p>পুরান ঢাকার শাঁখারী বাজার এলাকার কয়েকটি গলির মাথায় ও দোকানের কোণে কিছুটা দূরত্ব রেখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বেশ কয়েকজন তরুণ ও কিশোরকে। যাদের বেশির ভাগেরই বয়স ১৫ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। কেউ কিনতে এসে খোঁজাখুঁজি করলে কোনো না কোনোভাবে টের পেয়ে যায় গলি ও দোকানের কোণায় দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেগুলো। তখনই চার-পাঁচজন এসে হাজির। গলির ভেতর ডেকে নিয়ে চলে দরদাম। এভাবেই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলছে আতশবাজির বিকিকিনি।<br>&nbsp;</p><p>শাঁখারী বাজারের ঘুড়ির দোকানি জনি সেন বলেন, ‘বছরের শুরু থেকেই দোকানে সাকরাইনের জন্য সব ধরনের মালামাল উঠাইছি, বেশি কইরা উঠাইছি ঘুড়ি, আবির, সুতা, লাটাই। অহন বিক্রি একটু কম হইতাছে তই বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) অনেক বিক্রি হইব আর এ বছর লাভের হার একটু কমই হইতাছে। আবার ত শুরু হইছে সরকারের নিষেধ জারি তাই বেচাকেনা যা ছিল তাও কম হচ্ছে।’<br><br>আরও পরুন: <a href="https://www.somoynews.tv/news/2022-01-13/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%AD%E0%A7%AA%E0%A7%AB-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%A8-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%95%E0%A6%BE">ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭৪৫ আসন ফাঁকা</a><br>&nbsp;</p><p>ঘুড়ি কিনতে আসা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমি তিন ধরনের ঘুড়ি কিনেছি, সুতা-লাটাই আগে থেকেই আছে। বাসায় গিয়ে ঘুড়ির জন্য কিছুটা কাজ করব তারপর সাকরাইনের দুই দিন দুপুরের পর থেকে আমরা বাড়ির সবাই মিলে ছাদে ঘুড়ি উড়াব, গানবাজনা করব তবে করোনা আবার বাড়ার কারণে হয়তো আমার বন্ধুদের সঙ্গে সাকরাইন পালনে সীমাবদ্ধতা থাকবে।’<br>&nbsp;</p><p>এবারের সাকরাইনে ফানুস ওড়ানো ও আতশবাজি ফুটানোর কোনো বিধিনিষেধ আছে কিনা জানতে চাইলে সূত্রাপুর থানার ওসি মইনুল ইসলাম বলেন, এটা মূলত পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে ডিএমপি কমিশনার নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। প্রতিবারের মতো ফানুস ওড়ানো এবারও নিষিদ্ধ তবুও বিচ্ছিন্নভাবে কিছু যায়গায় উড়ানো হয় আমরা এটা প্রতিরোধের চেষ্টা করব। এবার যেহেতু ওমিক্রন সতর্কতা আছে আমরা সেভাবেই পরিচালনা করছি। সাকরাইনে যাতে কোনো ধরনের জনসমাগম না ঘটে সে দিকে আমরা লক্ষ রাখব।</p>

সাকরাইনকে সামনে রেখে উৎসবমুখর পুরান ঢাকা - Somoy News

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উত্সবে এবার ফানুস ও আতশবাজি নিষিদ্ধ করা পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উত্সবে এবার ফানুস ও আতশবাজি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পৌষ মাসের শেষ দিন পৌষসংক্রান্তির

সাকরাইনে নিষিদ্ধ ফানুস-আতশবাজি | 1110746 | কালের কণ্ঠ | kalerkantho